লেখক পরিচিতি
দীর্ঘ পনেরো বছর দেশে-বিদেশে ফাইনান্স, গণিত ও অর্থনীতি অধ্যয়ন ও কর্মজীবনের পাশাপাশি মোহাইমিন পাটোয়ারী বর্তমানে লেখালেখিতে আত্মনিবেশ করেছেন। ২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘চার্টার্ড ফাইনান্সিয়াল এনালিস্ট’ (সিএফএ) প্রোগ্রামে যোগদান করেন। অর্থনীতি এবং ফাইনান্সের পাশাপাশি গণিতের প্রতিও ছিল তার প্রচণ্ড ঝোঁক। সিএফএ অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র হিসেবে দ্বিতীয় স্নাতক প্রোগ্রামের যাত্রা শুরু করেন। ২০১৬ সালে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে স্নাতক পর্যায়ে দেশের সেরা দশে অবস্থান করেন। ২০১৭ সালে মাত্র তিন বছরের মধ্যে সিএফএ পরীক্ষা সুসম্পন্ন করে তিনি অর্থশাস্ত্রে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেন। সেই সুবাদে গণিতে স্নাতক সম্পন্ন করার আগেই নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ের ‘নরওয়েজিয়ান স্কুল অফ ইকনমিক্সে’ তার ডাক পড়ে। নরওয়ের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বৃত্তি প্রদানপূর্বক দ্বৈত মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য জার্মানির স্বনামধন্য ‘মানহাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে’ পাঠান। মোট দুটি মাস্টার্স প্রোগ্রাম কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করে তিনি স্বদেশে ফিরে আসেন এবং নানা খাতে কর্মরত থাকার পাশাপাশি সরল বাংলায় সবার জন্য অর্থনীতির বই লেখার কাজে হাত দেন। তার লেখা বইগুলো ইতোমধ্যেই বেস্টসেলার খেতাব অর্জন করেছে এবং বহু মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
বই লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতে তিনি কলাম লিখেছেন। তার প্রাঞ্জল এবং গল্পের ভঙ্গিমায় লেখা কলামগুলোও পাঠকদের মন কেড়েছে।
ইসলামি ব্যাংকব্যবস্থার শুভংকরের ফাঁকি
ইসলামি ব্যাংকিং মুসলিম-বিশ্বে নতুন একটি সংযোজন । নতুন-ধারার এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানতে উৎসুক, আবার অনেকেই প্রচ- সন্দিহান । তাই ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, এর প্রকৃত স্বরূপ, আধুনিক ব্যাংকব্যবস্থার সাথে এর মিল-অমিল, সীমাবদ্ধতা এবং সমাধান নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে ।
‘গল্পে গল্পে অর্থনীতি’
গল্প হচ্ছে এমনই জাদু যা কঠিনকেও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই অর্থনীতির জটিল পাঠগুলোকে সহজ করে বুঝাতে বহুকাল ধরে চলে আসা এই পদ্ধতিটির অনুসরণ করে লেখা হয়েছে ‘গল্পে গল্পে অর্থনীতি’ বইটি।
বইটির অধ্যায়গুলো শুরু হয়েছে ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ কিংবা ‘ঈশপের গল্পের’ মতো। প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় বোঝানো হয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, ব্যাংকব্যবস্থা, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার বাজার, পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের মতো জটিল জিনিসগুলো।
অর্থনীতি-বিষয়ক প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের আমাদের প্রত্যেকের যে প্রয়োজনীয়তা আছে, সেই প্রয়োজনীয়তা মনের আনন্দে গল্পে গল্পে পূরণ করতে এই বইটি সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।
ডলারের খেলা
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ময়দানে ডলারের পরিমাণ সীমিত। কিন্তু একটি দেশের বাণিজ্য উদ্বৃত্তি মানে আরেকটি দেশ ঘাটতিতে আছে। এর অর্থ দাঁড়ায় একটি দেশ ডলার অর্জন করছে মানে অপর একটি দেশ ডলার হারাচ্ছে। তাই বিভিন্ন দেশের অর্জিত ও হারানো ডলারের যোগফল শূন্য। ক্রমাগত ডলারের চাহিদা বিদ্যমান এবং এই ডলার সুদে ঋণ হিসেবে বাজারে প্রবেশ করানো হয়। তার মানে যে যাই হারাক না কেন ডলার সিস্টেম সবসময় জয়ী হতে থাকবে।
জুয়াতে একটি প্রবাদ আছে। ক্যাসিনো সবসময় জিতে। জুয়ার টেবিলে যদি ঋণ আকারে টাকা প্রবেশ করে এবং আমরা একে অন্যের সাথে খেলি দিন শেষে যে টাকা প্রবেশ করিয়েছে সে বাড়তি টাকা ফেরত নিবেই এবং সবসময় জিতবে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ময়দানও কি এমন? চলুন, জানা যাক।
প্রোটোকলস অব জায়োনিজন
চোখ মেললেই আমরা অবাধ স্বাধীনতা দেখতে পাই । অন্যদিকে ধন-সম্পদের প্রাচুর্য আজ যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি । আবার ধর্মের শেকল ঝেড়ে ফেলে আমরা আগলে নিয়েছি প্রগতিশীলতাকে । পরাধীনতা, অভাব ও দাসত্ব ছেড়ে তাহলে কি আমরা রূপকথার সুখের রাজ্যের বাস্তব রূপ দেখতে চলেছি? কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন । নতুন বিশ্বব্যবস্থার আড়ালে বসে কলকাঠি নাড়ছে একটি দল । স্বাধীনতার বদলে বিস্তার করছে লুক্কায়িত পরাধীনতা এবং কিছু বিশ্বাস পরিণত হয়েছে অন্ধবিশ্বাসে । কিন্তু আফসোস! যে প্রাথমিক নীতির উপর ভর করে এই প্রভাব গড়ে উঠেছে তা আজও আমাদের অনেকের অজানা । সেই নীতিগুলোরই মলাটবদ্ধ সংস্করণ ‘প্রোটোকলস অফ জায়োনিজম : ইহুদি ষড়যন্ত্রের গোপন দলিল' ।
ইন্টারনেট ও একাডেমিয়ার প্রতিটি অংশ আপনাকে বলবে এই প্রোটোকলস হচ্ছে ইহুদি বিদ্বেষী দলিল বা কন্সপিরেসি থিওরি । কিন্তু নানা জনের নানা মতে কান না দিয়ে পাঠক নিজেই পড়ে যাচাই করে নিন এবার ।
বিশ^বাণিজ্য
আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক খেলা একটি বাস্তবতা। আমরা চাইলেও এই খেলার ময়দান থেকে বের হতে পারব না। যুগে যুগে শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান রাষ্ট্র এই দাবাঘরে গুটি চেলে ওপরে উঠেছে এবং কেউ-বা ভুল পদক্ষেপ নিয়ে নিচে নেমেছে। বাংলা ভাষা-ভাষী পাঠক-পাঠিকাদের জন্য সেই জটিল খেলা এবং মুদ্রাকেন্দ্রিক ক্ষমতায়নের রহস্য উন্মোচনের প্রয়াস এই বইটি। আশা করি, বইটি পড়ার পর এই খেলা সাধারণ পাঠকের চোখে ধরা পড়বে এবং আন্তর্জাতিক গুটির চালগুলো স্পষ্ট হবে।
ব্যাংক ব্যবস্থা
আপনি কি জানেন একফালি কাগজ কীভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ হলো? অর্থনৈতিক বৈষম্য লাগামহীনভাবে বেড়ে যাচ্ছে কেন? রিজার্ভের ব্যবস্থাপনা কেমন? আর কেনই বা উন্নত বিশ্ব এত ঋণগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে?
প্রশ্নগুলো সম্পূর্ণ জীবনঘনিষ্ঠ এবং একই সুতোয় গাঁথা। আমাদের জীবনে নিয়মিত গভীর প্রভাব ফেলা এই না-দেখা বাস্তবতাগুলোকে গ্রন্থকার গল্পের মতো প্রাণবন্ত এবং ছবির ন্যায় রঙিন করে ফুটিয়ে তুলেছেন এই বইতে।
বইটি প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য এবং একাধিক ক্যাটাগরিতে এই বইটি বেস্টসেলার খেতাব অর্জন করেছে।
শোষণমুক্তির অর্থনীতি
গল্পের ভাষায় কি অর্থনীতি শেখা যায়? অবশ্যই যায়। ধরুন, আপনার সন্তান আপনাকে প্রশ্ন করলো, ‘বাবা, মাথাপিছু জিডিপি কী?’ উত্তরে আপনি বলবেন, ‘আমি কৃষি কাজ করি, তুমি হাঁস মুরগি পালো, আর তোমার মা গরু পালে।’ আমাদের তিন জন মিলে বছরে মোট ৪০ হাজার টাকা আয় করি। এই চল্লিশ হাজার টাকা হচ্ছে আমাদের সংসারের জিডিপি। এখন তোমার ছোট বোন সহ আমরা যেহেতু মোট চার জন, টাকাগুলো চার ভাগে ভাগ করলে আমাদের মাথাপিছু জিডিপি হবে দশ হাজার টাকা। এবার চিন্তা কর, সারা দেশের মানুষ কত কিছু তৈরি করে এক বছরে! ধরি সব মিলিয়ে সেইটার দাম এই পুকুরের সমান টাকা। এখন টাকাগুলো যদি সব মানুষকে সমান ভাগে দেওয়া হয় তাহলে একজন যত টাকা পাবে সেটাই হচ্ছে দেশে মাথাপিছু জিডিপি। এমনই গল্পে গল্পে ব্যাখ্যা করা হয়েছে শোষণ মুক্তির অর্থনীতির বইটি। নানা জাতির উত্থান-পতনের রহস্য এবং বর্তমান বিশ্বের কাঠামোগুলো বিশ্লেষণ করে সরল ভাষায় বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই বইটি আপনার চিন্তাকে নাড়া দিবে এবং পরিচয় করাবে এক নতুন জগতের সাথে।
সুদ হারাম
সুদ হারাম, সুদের ৪টা প্রকারের নাম বলতে পারবেন?
আপনি যদি না জানেন কী কী কারণে ও কীভাবে লেনদেন করলে সুদ হয়, তাহলে সুদ থেকে বাঁচবেন কী করে?
দ্বীনের হালাল-হারামের জ্ঞান অর্জন আপনার ওপর ফরজ, সেই ফরজটা কি তাহলে অর্জিত হয়েছে?
কখনো টাকা ঋণ নিয়েছেন? কাউকে ঋণ দিয়েছেন? সুদ খেয়েছেন কখনো? সুদ দিয়েছেন? সুদ দিলে বা নিলে কী ক্ষতি হয় জানেন? এত মানুষ সুদে জড়িয়ে পড়ছে কেন? সুদ এত ‘উপকারী’, তাহলে বাড়ছে কেন ‘দারিদ্রতা’?!
কর্জে হাসানা কী? কর্জে হাসানা দিলে কি কারো ক্ষতি হয়? কর্জে হাসানা দিলে সমাজ আর সংসারের উন্নতি কীভাবে হয়? কর্জে হাসানা দিলে কি সমাজ সুদমুক্ত হবে? শুধু টাকা দিয়েই কর্জে হাসানা হয়, নাকি সোনা-রুপা-চাল-ডাল দিয়েও হয়? দেশে হাজার কোটি টাকার কর্জে হাসানা ফান্ড থাকলে কী হতো? দুনিয়াতে কি বড় কোনো কর্জে হাসানা ফান্ড আছে? কীভাবে কাজ করে তারা? উত্তরগুলো বইয়ের ভেতর...
Delivery Information
-
Cash on Delivery available across Bangladesh
-
Standard delivery within 2–5 business days
-
Secure packaging to ensure product protection
-
Easy exchange/return available if any defect is found
-
No advance payment required — shop with confidence
Delivery Information
-
Cash on Delivery available across Bangladesh
-
Standard delivery within 2–5 business days
-
Secure packaging to ensure product protection
-
Easy exchange/return available if any defect is found
-
No advance payment required — shop with confidence
